1. nongartv@gmail.com : Nongartv :
  2. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন

করোনায় সিলেটবাসী যাদের হারালো

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেটের সময় শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১

সারা বিশ্বের ন্যায় সিলেটেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতি এ করোনাভাইরাসে ২০২০ সালে সিলেটের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। করোনার ফ্রন্ট ফাইটার ছাড়াও মৃতের তালিকায় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য পেশার লোকও রয়েছেন।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল সিলেট জেলায় প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো: মঈন উদ্দিনের। আক্রান্ত হবার ১০ দিন পর ১৫ এপ্রিল তিনি মারা যান।
এরপর করোনায় প্রাণ কেড়ে নেয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য অধ্যাপক ড. আতফুল হাই শিবলী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ হক, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান, সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক আজিজ আহমদ সেলিম, যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব এম এ আহাদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সহপাঠী এবং সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনের চাচা আব্দুল হান্নান সেলিম, ডা. গোপাল শংকর দে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্স (ব্রাদার) রুহুল আমিন ও সাবেক ব্যাংকার জুলকারনাইন জায়গীরদার।
এদের মধ্যে ডা. মোঃ মঈন উদ্দিন এবং নার্সদের (ব্রাদার) মধ্যে রুহুল আমিনই ছিলেন দেশে চিকিৎসকদের মধ্যে প্রথম করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তি।

অধ্যাপক ড. আতফুল হাই শিবলী ঃ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. আতফুল হাই শিবলী ২৯ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ২০০৮ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট তিনি সিলেটের নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক গ্রামে।
বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ঃ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান গত ১৫ জুলাই রাত তিনটার দিকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় গত ৫ জুন করোনা শনাক্ত হয় তার। পরদিন তাঁকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ৭ জুন সন্ধ্যায় বিমানবাহিনীর এয়ার এম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁকে প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়। কিন্তু ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। পরদিন দুই দফা জানাজা শেষে নগরীর হযরত মানিকপীর (র.) কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

আজিজুর রহমান ঃ মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও স্বাধীনতা পদকে মনোনীত আলহাজ্ব আজিজুর রহমান ১৮ আগস্ট করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
গত ৫ আগস্ট বিকেলে তার শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
আজিজুর রহমান ছিলেন সাবেক গণপরিষদ সদস্য, ২ বারের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক হুইপ, বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও মহান স্বাধীনতা পদকে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। সর্বশেষ মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি মৌলভীবাজার ইউনিটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ৪নং সেক্টরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মৌলভীবাজার জেলার রাজনৈতিক সমন্বয়কারী ছিলেন মরহুম আজিজুর রহমান।

এম এ হক ঃ সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পর সিলেট বিএনপির অভিভাবকতুল্য নেতাদের একজন ছিলেন মোহাম্মদ আব্দুল হক (এম এ হক)। গত ৩ জুলাই সকাল ১০টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তিনি। তাকে বালাগঞ্জের কুলুমায় নিজ গ্রামে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
এর আগে ৩০ জুন বিকেলে এমএ হকের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। ওই দিনই নমুনা পরীক্ষায় তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ১ জুলাই রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরদিন সকালে তিনি মারা যান। বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ছাড়াও তিনি দলের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা ও মহানগর শাখার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

ডা. মোঃ মঈন উদ্দিন ঃ ডা. মঈনের প্রাণহানিই ছিলো সিলেটে করোনাভাইরাস উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া প্রথম মৃত্যু। চলতি বছরের ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ মঈন উদ্দিনের করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। প্রথমে তিনি সিলেটে নিজ বাসাতেই আইসোলেশনে ছিলেন। ৭ এপ্রিল শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাঁকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ৮ এপ্রিল মঈন উদ্দিনকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই ১৫ এপ্রিল তিনি করোনার কাছে হার মানেন। ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা: মঈন উদ্দিন ছিলেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নাদামপুর গ্রামের বাসিন্দা। ওই গ্রামে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।

আজিজ আহমদ সেলিম ঃ সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক আজিজ আহমদ সেলিম ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেটের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ৮ অক্টোবর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্টে তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। আগের দিন ৭ অক্টোবর সাংবাদিক আজিজ আহমদ সেলিমকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে সিলেট সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই ১৮ অক্টোবর রাতে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। ১৯ অক্টোবর বাদ জোহর সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহে জানাজা শেষে দরগাহস্থ কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আজিজ আহমদ সেলিম বিটিভি’র সিলেট প্রতিনিধি, স্থানীয় দৈনিক উত্তরপূর্ব’র প্রধান সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও ১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেটের প্রাচীনতম দৈনিক যুগভেরী পত্রিকার সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এম এ আহাদ ঃ বিলেতের জনপ্রিয় ও প্রবীণ কমিউনিটি নেতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক-শিক্ষানুরাগী, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান, অনেক মসজিদ-মাদরাসা-এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব এমএ আহাদ ২৮ অক্টোবর মারা যান। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান।
আলহাজ্ব আব্দুল আহাদ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের কাঁঠালখাইর গ্রামের বাসিন্দা। করোনার প্রথম দফা সংক্রমণের সময় তিনি দেশে ছিলেন। মাস দুয়েক আগে তিনি বিলেতে যান। মাত্র ১৫ দিন আগে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর তিনি হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলেন।
আলহাজ্ব এম এ আহাদ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। জগন্নাথপুর ব্রিটিশ-বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ফাউন্ডার ছাড়াও তিনি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের যুক্তরাজ্য শাখার ফান্ড রাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে ইংল্যান্ড থেকে কয়েক কোটি টাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সিলেটের ফান্ডে এসেছে। এছাড়া, সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল, জালালাবাদ অন্ধ কল্যাণ সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

আব্দুল হান্নান সেলিম ঃ ২৮ আগস্ট করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সহপাঠী আব্দুল হান্নান সেলিম। ওইদিন সকাল ৯টায় ডা. শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ওইদিনই জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় নগরীর মানিকপীর কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

ডা. গোপাল শঙ্কর দে ঃ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. গোপাল শঙ্কর দে ২৮ জুন রাতে মারা যান ।
গত ২১ জুন করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। প্রথম দফায় তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর দ্বিতীয় দফায় আবার পরীক্ষা করানো হয়। দ্বিতীয় দফায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

রুহুল আমিন ঃ সিলেটে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বাংলাদেশের প্রথম ব্রাদার (পুরুষ নার্স) রুহুল আমিন। তিনি সিলেটে করোনা চিকিৎসার জন্য ডেডিকেটেড শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। গত ২৯ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জুলকারনাইন জায়গীরদার ঃ সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ও সিলেটের পরিচিত মুখ, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জুলকারনাইন জায়গীরদার গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান। গত ২০ অক্টোবর করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জুলকারনাইন জায়গীরদার সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার রাজাপুর গ্রামের ও সিলেট নগরীর হাউজিং এস্টেটের বাসিন্দা।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে ২০২০ সালের ৮ মার্চ।
এদিকে, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবেলায় ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিকে কিছুদিন সিলেটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হয়। মাস্ক ছাড়া কাউকে পাওয়া গেলে জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নগরীতে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার ক্ষেত্রে মাইকিং করা হয়।#

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© 2020 Nongartv.com . Design & Development by PAPRHI
Theme Customization By Freelancer Zone
shares