1. support@nongartv.com : Nongartv :
  2. regularmd@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

দুই আসনে প্রার্থীশূন্য বিএনপি জোট, জামায়াতের সব বহাল

নোঙর টিভি ডেস্ক
  • আপডেটের সময় মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে ভোটের মাঠে ফিরেছেন বাছাইয়ে বাদ পড়া ৭২৩ প্রার্থীর অর্ধেকেরও বেশি– ৪২৫ জন। এর মধ্যে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২৬৩ জন ও স্বতন্ত্র ১৬২ প্রার্থী রয়েছেন। অর্থাৎ আপিলে সমাধান পেয়েছেন বাদ পড়া প্রার্থীর প্রায় ৫৯ শতাংশ। সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিলে বৈধ বিবেচিত প্রার্থীর সংখ্যা আগের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। তবে বিএনপি ও তার জোটের বিকল্প প্রার্থী না থাকায় আপাতত দুটি আসন দলটির প্রার্থীশূন্য রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার। বুধবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করবে ইসি। ওই দিন থেকে শুরু হবে প্রচার-প্রচারণা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট।

এর আগে রোববার শেষ হওয়া ইসির ৯ দিনের আপিল শুনানিতে বাছাইয়ে বাদ পড়া ৮২ ঋণখেলাপির বেশির ভাগ প্রার্থিতা ফিরে পান। এর মধ্যে বিএনপির দুজন, জামায়াতের দুজনসহ অন্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন। আর দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা ২৬ প্রার্থীর বিষয়ে শুনানি শেষে ২৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও তিনজনের বাতিল ঘোষণা করে ইসি। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ১০ জন, জামায়াতে ইসলামীর ৫, জাতীয় পার্টির ২, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১, ইসলামী আন্দোলনের ২, খেলাফত মজলিসের ১ এবং ২ স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। বাতিল হওয়া তিন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র একজন করে।

সংবিধানে দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে অন্য দেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার আবেদন জমার প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন এই জটিলতায় থাকা প্রার্থীরা। এতে সংবিধান ও আদালতের

নির্দেশনার লঙ্ঘন হয়েছে বলে ইসিতে লিখিত অভিযোগ করেছেন সচেতন নাগরিক মামুন হাওলাদার। আবেদনে দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া শুনানিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বেশির ভাগ দলের প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াত জোটের অন্য শরিকরাও ছাড় পেয়েছে কমবেশি। ইসলামী আন্দোলনসহ অন্য দলগুলোর কয়েকজনের প্রার্থিতা বাতিল হলেও টিকে গেছেন বাকিরা। তবে দলীয় প্রার্থিতা ফেরত পাওয়ার সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে লাভবান হয়েছে জাতীয় পার্টি ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি বাছাইকালে দুই হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে এক হাজার ৮৪২টি বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর পক্ষে তিনটি আসনে দাখিল করা তিনটি মনোনয়নপত্র বাছাই ছাড়াই কার্যক্রম শেষ করে ইসি।

এরপর ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাতিল-গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন জমা পড়ে ৬৪৫টি। ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি ইসির শুনানি শেষে ৪২৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পান, যা আগে বাদ পড়া প্রার্থীর ৫৮ দশমিক ৭৮ শতাংশের বেশি। এরই মধ্যে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন কমপক্ষে আরও তিনজন। ফলে এখন পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২৬৪ জন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে আরও অনেকে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন। সেখানকার রায় শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে বাদ যান ৭৩১ প্রার্থী। এরপর আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান ২৮৬ জন। ফলে এবার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সংখ্যা গতবারের তুলনায় ১৩৯ জন বেশি।

বিএনপি জোটের প্রার্থীশূন্য দুটি আসন
এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২৯২টি আসন নিজেদের রেখে বাকি আটটি আসনে শরিক দলগুলোকে ছাড় দেয়। এর মধ্যে জমিয়তে উলামা চারটি এবং নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ একটি করে আসনে দলীয় প্রতীক নিয়ে লড়বে।

বিএনপি এই ২৯২টি আসনসহ ৩০০ আসনে বিকল্প প্রার্থীসহ ৩৩১টি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিল। ইসির শুনানিতে দলটির চারজন প্রার্থী বাদ পড়েন। তারা হচ্ছেন– দ্বৈত নাগরিকত্বের দায়ে আবদুল গফুর মিয়া (কুমিল্লা-১০) এবং ঋণখেলাপির দায়ে সারোয়ার আলমগীর (চট্টগ্রাম-২), মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী (কুমিল্লা-৪) ও টি এস আইয়ুব (যশোর-৪)।

যশোর-৪ আসনে মতিয়ার রহমান ফরাজী বিকল্প প্রার্থী হিসেবে থাকায় এ আসন নিয়ে সংকট নেই বিএনপির। কুমিল্লা-১০ আসনে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া দলীয় প্রার্থী হিসেবে দাবি করলেও বাছাইয়ে বাদ পড়েন তিনি। পরে তিনি ইসিতে আপিল করেননি। এ ছাড়া কুমিল্লা-৪ ও চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি ও তার জোটের বিকল্প প্রার্থী না থাকায় আপাতত আসন দুটি প্রার্থীশূন্য। তবে এই দুই আসনে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এবং সারোয়ার আলমগীর সমকালকে জানিয়েছেন, ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা।

এদিকে ঋণখেলাপির দায়ে বগুড়া-২ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাইকালে বাদ দিলে ইসিতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি। এই জোটের অন্য সাত প্রার্থীর মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ হয়েছিল। ফলে এই আটটি আসনে প্রার্থিতা নিয়ে সংকটে নেই বিএনপি ও তার জোট।

জামায়াত জোটে প্রার্থী সংকট নেই
জামায়াতে ইসলামী মোট ২৭৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইকালে কক্সবাজার-২ আসনে দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদসহ আটদলীয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়াও মামলা-সংক্রান্ত জটিলতায় বাদ পড়েন তারা। ইসির আপিল শুনানি করে তাদের সবাই প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

এই জোটের শরিক এনসিপি ছাড় পেয়েছে ২৭ আসনে। এই ২৭টি আসনসহ ৪৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে এনসিপি। এর মধ্যে দ্বৈত নাগরিকত্বের দায়ে বাছাইয়ে বাদ পড়েন এনসিপির একমাত্র প্রার্থী সিলেট-১ আসনের এহতেশামুল হক। ইসির আপিল শুনানিতে তাঁর মনোনয়নপত্র টিকে যায়। অন্য শরিক দলগুলোর মধ্যে এলডিপির এক প্রার্থী আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ছাড় পাওয়া তিন আসনে আগেই মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। এ ছাড়া অন্য শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) এবং নেজামে ইসলাম থেকে দুই-একজন বাদ পড়লেও সেখানে জোটের বিকল্প প্রার্থী রয়েছেন। এর বাইরে জোটগত সমঝোতার কারণে শরিকদের জন্য ছাড় দেওয়া আসনগুলো থেকে জামায়াত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। ফলে এই জোটে প্রার্থিতা নিয়ে কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন দল ও জোট নেতারা।

জাপা ও সিপিবিও সুবিধাজনক অবস্থায়
আপিল শুনানির রায়ে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টি। বাছাইকালে এই দলটির ৪৪ প্রার্থী বাদ পড়লেও শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৩৬ জন। আটজনের আপিল খারিজ হলেও উচ্চ আদালতে রিট করে এখন পর্যন্ত তিনজন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। অন্য প্রার্থীরাও ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। এখন পর্যন্ত দলটির বৈধ প্রার্থী রয়েছেন ১৯৫টি আসনে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দাখিল করা ৬৫ জনের মধ্যে বাছাইকালে ২৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এর মধ্যে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন ইসির ওয়েবসাইটে সিপিবির নবনির্বাচিত সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের নামসহ প্রয়োজনীয় তথ্য আপগ্রেডেশন (সমসাময়িকীকরণ) না হওয়ার কারণ দেখিয়ে। পরে ইসিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে এবং আপিল করে ২০ জনের প্রার্থিতা ফেরত পায় দলটি। একজন আপিল করেননি। তবে বাকি চারজনের প্রার্থিতা বাতিল রয়ে যায় অন্যান্য কারণে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতি ইসি উদার
এবার নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ৪৭৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৩৬৬ জনের প্রার্থিতা বাতিল করে দেন। ফলে মোট স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিন-চতুর্থাংশের বেশি তথা প্রায় ৭৬ দশমিক ৫৭ শতাংশের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল বাছাইকালে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়।

পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল করেন ২৫৮ স্বতন্ত্র প্রার্থী। শুনানি শেষে ১৬২ জনের প্রার্থিতা বহাল রাখে ইসি। বাতিল রয়ে যান ৯৬ জন।

এসব স্বতন্ত্র প্রার্থী মূলত বাদ পড়েন ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর জটিলতায়। দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জনের স্বাক্ষর যাচাই-বাছাই করে তথ্যগত ত্রুটি ও সত্যতা না পাওয়ায় তাদের প্রার্থিতা বাতিল করেন মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা। তবে আপিল শুনানিতে কমপক্ষে অর্ধশত স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে, এই ত্রুটি পরে সংশোধন করে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে জমা দেওয়ার শর্ত দিয়ে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের কাগজপত্রে ছোটখাটো ত্রুটিও অনেকটা এড়িয়ে গেছে ইসি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র ফিরে পেয়েছেন ঢাকা-১২ আসনে এনসিপি থেকে পদত্যাগকারী ডা. তাসনিম জারা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন’ আয়োজনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রার্থীদের প্রতি এমন উদার মনোভাব দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসি। শুনানিকালে সেটাই জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন এবং অন্য নির্বাচন কমিশনাররা।

এ প্রসঙ্গে রোববার রাতে ৯ দিনের শুনানি শেষ করে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষপাত করিনি। কিছু কার্যক্রমে আপনারা হয়তো আমাদের সমালোচনা করতে পারেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটের বিষয়টি আমরা কীভাবে ছেড়ে দিয়েছি, এটা আপনারা দেখেছেন। কারণ, আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চেয়েছি। আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটা সুন্দর নির্বাচন হোক। সে বিষয়ে আপনারা সহযোগিতা না করলে কিন্তু হবে না।’

বিএনপির কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল রেখেছে ইসি। তাঁর প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে যে আপিল হয়েছিল, এর শুনানি শেষে গতকাল এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে কায়কোবাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছিল। কিন্তু দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে ইসিতে আপিল করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল।

ফিরলেন জাপার একজন, স্বতন্ত্র তিন প্রার্থীও
ইসির একই বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করার কথা জানোনো হয়। বৈধ প্রার্থীরা হচ্ছেন–  নীলফামারী-১ আসনের জাতীয় পার্টির রোহান চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র খুলনা-১ আসনের অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল, শেরপুর-২ আসনের ইলিয়াস খান ও ঝালকাঠি-৩ আসনের এম মঈন আলম ফিরোজী। তবে খুলনা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রউফ মোল্যার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে ইসি। এই চারজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছিল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইকালে। তবে ইসির আপিল শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ায় সবার মনোনয়নপত্রই অবৈধ হয়। এর পর তাদের রিভিউ আবেদনের ভিত্তিতে সোমবার উল্লিখিত সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© 2020 Nongartv.com . Design & Development by PAPRHI
Theme Customization By Freelancer Zone